মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আজকের পত্রিকা -০৪-০৬-২০২২ সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের টার্গেট এখন ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটি, উদ্দেশ্য পদ পদবী বাগিয়ে নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা  সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জে নিরাপত্তা কর্মীর উপর যুবলীগ নেতার ক্ষমতার অপব্যবহার সৈয়দপুরের কল্যান ট্রাষ্টের নামে লন্ডাবাজার অবৈধ রেল মার্কেটের কোটি কোটি টাকা লুটপাঠ সৈয়দপুর রেল কারখানার জায়গায় অবৈধভাবে স্থাপিত সরকারী শিশু কল্যাণ ট্রাষ্ট স্কুল দুর্নীতিবাজ রেল কর্মকর্তার যোগসাজসে ভূমিদস্যুরা হাতিয়ে নিয়েছে রেলের কোটি টাকার সম্পদ সৈয়দপুর পৌর আ’লীগের ইফতার মাহফিলে দাওয়াত পাননি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুরে আসামীদের সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেন মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুর পৌরসভা কর্তৃক সরকারী সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে রেল কর্তৃপক্ষের মামলা সৈয়দপুর বিমানবন্দর রোডে ৫৪৪নং রেল কোয়ার্টার ভেঙ্গে কোটি টাকার মার্কেট নির্মাণ, নির্বিকার রেল প্রশাসন

সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের টার্গেট এখন ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটি, উদ্দেশ্য পদ পদবী বাগিয়ে নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা 

মোতালেব হোসেন
  • সময় বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০২২
  • ১৯৯ বার পঠিত

সৈয়দপুরে মাদকের ভয়াল থাবার ভয়াবহতা বুঝতে পেরে গত ২৭শে জুলাই ২০১৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সৈয়দপুর উপজেলা ও পৌর কমিটি সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নজির হোসেন নজিরকে ছাত্রলীগ অফিসে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, মাদক সেবনের দায়ে দল থেকে বহিস্কার করে। তার কিছুদিন পরেই পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইমরান হোসেন বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়।

দীর্ঘদিন ছাত্রলীগ কমিটি না থাকলেও হঠাৎ করে ২০২১ সালে এসে কোন প্রকার ইউনিয়ন ওয়ার্ড সম্মেলন ছাড়াই নতুন কমিটি ঘোষিত হয়। উক্ত কমিটিতে বানিজ্য হয়েছিলো বলে ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র নেতা অভিযোগ করেন যার একটি ফোনালাপ ফেসবুকে ভাইরাল হয়। গত ৩১শে মে বর্তমান সৈয়দপুর পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল ইসলাম রানা ১৩০০ পিস নিষিদ্ধ ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়। এটি নিয়ে শহরে ব্যপক আলোচনা সমালোচনার জন্ম হয়।


এটি নিয়ে সাবেক ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতা জয়নাল আবেদীন হাজারীসহ একাধিক সাবেক ছাত্রলীগের নেতা অভিযোগ করেন যে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন কমিটি গঠন না করে রাতারাতি টাকার বিনিময়ে পকেট কমিটি করার কারণে এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়ীরা দলে প্রবেশ করার সুযোগ পেয়েছে। শিক্ষা শান্তি প্রগতী ছাত্রলীগের এই মূলনীতি ভুলুন্ঠিত করে মাদক ব্যবসায়ীরা সরকারী দলে স্থান করে নিচ্ছে। তিনি আরো অভিযোগ করেন সরকারী দলের এক নেতা তার বাহিনী ভারী করার জন্য এইসকল মাদক ব্যবসায়ীদের দলে ভিড়াচ্ছেন তার ব্যাক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্য।

তিনি ইতিপূর্বে কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীর সন্তান, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজকে ছাত্রলীগের শীর্ষ স্থানে বসিয়ে এই অপসংস্কৃতি চালু করেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি একের পর এক অযোগ্যদের কোন প্রকার বাছ বিচার ছাড়াই দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে দলকে কলঙ্কিত করে চলেছেন। জয়নাল আবেদিনের এই বক্তব্যকে বেশীরভাগ ছাত্রনেতা ও মূল দল আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ন নেতারা সঠিক বলে রায় দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
 

দৈনিক দাবানল © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

themesba-lates1749691102