মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আজকের পত্রিকা -০৪-০৬-২০২২ সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের টার্গেট এখন ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটি, উদ্দেশ্য পদ পদবী বাগিয়ে নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা  সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জে নিরাপত্তা কর্মীর উপর যুবলীগ নেতার ক্ষমতার অপব্যবহার সৈয়দপুরের কল্যান ট্রাষ্টের নামে লন্ডাবাজার অবৈধ রেল মার্কেটের কোটি কোটি টাকা লুটপাঠ সৈয়দপুর রেল কারখানার জায়গায় অবৈধভাবে স্থাপিত সরকারী শিশু কল্যাণ ট্রাষ্ট স্কুল দুর্নীতিবাজ রেল কর্মকর্তার যোগসাজসে ভূমিদস্যুরা হাতিয়ে নিয়েছে রেলের কোটি টাকার সম্পদ সৈয়দপুর পৌর আ’লীগের ইফতার মাহফিলে দাওয়াত পাননি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুরে আসামীদের সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেন মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুর পৌরসভা কর্তৃক সরকারী সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে রেল কর্তৃপক্ষের মামলা সৈয়দপুর বিমানবন্দর রোডে ৫৪৪নং রেল কোয়ার্টার ভেঙ্গে কোটি টাকার মার্কেট নির্মাণ, নির্বিকার রেল প্রশাসন

সৌদির মতো ধর্ষকদের প্রকাশ্যে ফাঁসি চান কঙ্গনা

বিনোদন প্রতিবেদক
  • সময় রবিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৭২ বার পঠিত

নারীদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করতে হলে ভারত সরকারকে আরও কড়া হতে হবে। ধর্ষকদের উপযুক্ত সাজা হল ফাঁসি। সাংবাদিক সম্মেলনে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত এভাবেই নিজের অভিমত জানালেন।

ভোপালে ‘ধক্কড়’ ছবির শুটিং করছেন কঙ্গনা। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহানের স‌ঙ্গে দে‌খা করতে গিয়েছিলেন কঙ্গনা। সেখানেই ধর্ষণ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। ধর্ষকদের উপযুক্ত সাজার কথা বলতে গিয়ে উদাহরণ দিলেন সৌদি আরবের। কঙ্গনার মতে, সে দেশের মতো অপরাধীদের চৌরাস্তায় এনে ফাঁসি দিয়ে দেওয়া উচিত।

কঙ্গনা বলেন, অনেক নারী নিজেদের কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। তাই অনেক যৌন হেনস্থার ঘটনা আমরা জানতেও পারি না। তাদের চুপ থাকার একটা বড় কারণ, আমাদের দেশের আইন। ধর্ষকরা জানে যে তারা ঠিক আইনের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যেতে পারবে। বছরের পর বছর নির্যাতিতাদের কেবল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যেতে হয়। আইন ও পুলিশের হাতেও হেনস্থা হতে হয় তাকে। কঙ্গনা রানাউত স্পষ্ট ভাবে পুলিশ ও আইনি প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললেন।

কঙ্গনা ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, যে ভাবে হেনস্থার উদাহরণ সম্পর্কে তারা নির্যাতিতার কাছ থেকে জানতে চায়, সেটা খুব অপমানজনক। কোথায় হাত দিয়েছিল? বুকে, নাকি হাতে, নাকি ঊরুতে? এভাবে বছরের পর বছর তাদের প্রমাণ করতে হয় যে আদপে তাদের হেনস্থা করা হয়েছে। কঙ্গনার পরামর্শ, পাঁচ থেকে ছটি গণধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীদের ঠিক এভাবেই শাস্তি দেওয়া উচিত। তবেই ধর্ষকরা ভয় পাবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
 

দৈনিক দাবানল © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

themesba-lates1749691102