মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আজকের পত্রিকা -০৪-০৬-২০২২ সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের টার্গেট এখন ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটি, উদ্দেশ্য পদ পদবী বাগিয়ে নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা  সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জে নিরাপত্তা কর্মীর উপর যুবলীগ নেতার ক্ষমতার অপব্যবহার সৈয়দপুরের কল্যান ট্রাষ্টের নামে লন্ডাবাজার অবৈধ রেল মার্কেটের কোটি কোটি টাকা লুটপাঠ সৈয়দপুর রেল কারখানার জায়গায় অবৈধভাবে স্থাপিত সরকারী শিশু কল্যাণ ট্রাষ্ট স্কুল দুর্নীতিবাজ রেল কর্মকর্তার যোগসাজসে ভূমিদস্যুরা হাতিয়ে নিয়েছে রেলের কোটি টাকার সম্পদ সৈয়দপুর পৌর আ’লীগের ইফতার মাহফিলে দাওয়াত পাননি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুরে আসামীদের সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেন মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুর পৌরসভা কর্তৃক সরকারী সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে রেল কর্তৃপক্ষের মামলা সৈয়দপুর বিমানবন্দর রোডে ৫৪৪নং রেল কোয়ার্টার ভেঙ্গে কোটি টাকার মার্কেট নির্মাণ, নির্বিকার রেল প্রশাসন

রসিকের ২৬নং ওয়ার্ড-ডাস্টবিন না থাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা

এস.এম শাবানা
  • সময় মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৭৬ বার পঠিত

রংপুর মহানগরের ২৬নং ওয়ার্ডের মন্ডলপাড়া ও যোদ্দারপাড়া এলাকায় ডাস্টবিন নেই। নেই ময়লা আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা। দীর্ঘদিন ধরে কোনো ব্যবস্থা না হওয়াতে এলাকার বেশির ভাগ মানুষ যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলছেন। এতে করে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকছে গৃহস্থলীর ময়লা-আবর্জনা। সোমবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে ওই দুই এলাকা ঘুরে এমনটাই দেখা গেছে।
রবার্টসনগঞ্জের শেষ মাথায় মন্ডলপাড়ার শুরুতে হোটেলের পাশে ময়লা ফেলার একটি ট্রলিগাড়ি রয়েছে। তবে সেখানে সামান্য ময়লা-আবর্জনা পড়তেই ভাগাড়ে পরিণত হয়। বেশিরভাগ সময়ে ওই ডাস্টবিনে ময়লা ফেলা যায় না। কারণ সেখানকার আশপাশের বাড়ির ময়লা-আবর্জনা বেশি ফেলানো হয়। দূরের কেউ ময়লা ফেলার সুযোগ পায় না।
জানা গেছে, পুরো এলাকা মিলে অর্থাৎ মন্ডলপাড়া থেকে যোদ্দারপাড়া পর্যন্ত ওই একটি ডাস্টবিন ছাড়া আর কোনো ডাস্টবিন নেই। একারণে স্থানীয়রা সড়কের যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ডলপাড়ার ফার্নিচার ব্যবসায়ী উমর আলী জানান, তাদের এলাকায় সিটি কর্পোরেশন থেকে ময়লা-আবর্জনা নিতে কোনো গাড়ি আসে না। এতে করে দিনের পর দিন যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকছে। সেখান থেকে দুর্গদ্ধ ছড়াচ্ছে এবং পরিবেশ দূষণ বাড়ছে।
ওই ব্যবসায়ীর দোকানের কর্মচারী নুর মোহাম্মদ বলেন, দোকানের সামনে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে কাস্টমার ঠিকমতো দাঁড়াতে পারে না। এলাকার মানুষজন খুব একটা সচেতন নয়, একারণে অনেকে দিনের বেলায় বাড়ির ময়লা-আবর্জনা রাস্তায় ফেলেন। অনেকবার নিষধ করার পরও বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় কোনো ডাস্টবিন না থাকার কারণে বাধ্য হয়ে তারা বসতবাড়ীর ময়লা-আবর্জনা ও পশু-পাখির মলমূত্র তাদের বাসার আঙ্গিনায় গর্ত করে পুতে রাখছেন। কেউ কেউ আবার মসজিদের পাশের পুকুরে আবর্জনা ফেলছেন। যার কারণে পুকুরের পানিও দূষিত হচ্ছে। পরিবেশ দূষণও বাড়ছে। এছাড়া যেখানে সেখানে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা পঁচে যেমন গন্ধ ছড়াচ্ছে তেমনি রোগ জীবাণুও বাড়ছে। সঙ্গে এখন মশা-মাছির উপদ্রবও বেড়েছে।
যোদ্দারপাড়া এলাকার মুদি দোকানদার মমিনুল ওরফে জামান বলেন, ‘এলাকাটি ছোট হলেও চার-পাঁচশ পরিবারে প্রায় চার হাজারেরও বেশি লোকসংখ্যার বসবাস। যাদের বেশির ভাগ মানুষই অসচেতন। তাদের অনেকেই যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন।
এদিকে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকার জন্য ডাস্টবিনের অভাবেকই দুষছেন এলাকার লোকেরা। তারা বলছেন, এতো দিনেও কেউ একটা ডাস্টবিন তৈরি করে দেয়নি। কাউন্সিলরকে অনেকবার বলা হয়েছে, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। একারণে যে যার মতো ময়লা ফেলছে। তাছাড়া এই এলাকাতে সিটি কর্পোরেশনের ময়লা নেয়া গাড়িও ঠিক মতো আসেনি।
মন্ডলপাড়া কবরস্থানের পাশের বাড়ির জুয়েল রানা বলেন, এক বছর আগে এখানে একটি ময়লা ফেলানোর ট্রলিগাড়ি ছিল। কিন্তু কি কারণে সেটি এখন সরিয়ে নেয়া তা জানা নেই। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা এলাকার প্রত্যেক বাসায় ময়লা ফেলার ঝুড়ি/পট দিবেন এবং এলাকায় ডাস্টবিন স্থাপন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের প্রায় তিন বছর হয়ে গেলো, কোনো পদেক্ষেপই আমাদের চোখে পড়ছে না।
এ ব্যাপারে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম ফুলু বলেন, আমি নিজেও ওইসব এলাকা ঘুরে দেখেছি। ডাস্টবিন না থাকার ব্যাপারটা জানি। আশা করছি, এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে। তবে সিটি কর্পোরেশন থেকে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিয়মিত সেখান থেকে ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করেন বলেও তিনি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
 

দৈনিক দাবানল © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

themesba-lates1749691102