মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আজকের পত্রিকা -০৪-০৬-২০২২ সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের টার্গেট এখন ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটি, উদ্দেশ্য পদ পদবী বাগিয়ে নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা  সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জে নিরাপত্তা কর্মীর উপর যুবলীগ নেতার ক্ষমতার অপব্যবহার সৈয়দপুরের কল্যান ট্রাষ্টের নামে লন্ডাবাজার অবৈধ রেল মার্কেটের কোটি কোটি টাকা লুটপাঠ সৈয়দপুর রেল কারখানার জায়গায় অবৈধভাবে স্থাপিত সরকারী শিশু কল্যাণ ট্রাষ্ট স্কুল দুর্নীতিবাজ রেল কর্মকর্তার যোগসাজসে ভূমিদস্যুরা হাতিয়ে নিয়েছে রেলের কোটি টাকার সম্পদ সৈয়দপুর পৌর আ’লীগের ইফতার মাহফিলে দাওয়াত পাননি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুরে আসামীদের সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেন মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুর পৌরসভা কর্তৃক সরকারী সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে রেল কর্তৃপক্ষের মামলা সৈয়দপুর বিমানবন্দর রোডে ৫৪৪নং রেল কোয়ার্টার ভেঙ্গে কোটি টাকার মার্কেট নির্মাণ, নির্বিকার রেল প্রশাসন

সেতুর আশায় ১২ গ্রামের মানুষ

আরিফ শেখ, তারাগঞ্জ (রংপুর)
  • সময় বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৬৯ বার পঠিত

দুই পাশেই চলাচলের রাস্তা বসবাসের অসংখ্য ঘরবাড়ি কিন্তু মাঝখানে সামান্য একটি সেতুর জন্য দুর্ভোগে পড়েছে ১২ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। চারদিকে যখন উন্নয়ন আর উন্নত সভ্যতার ছোঁয়া তখন এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে ভোগান্তি। প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে চলমান মানুষগুলো। সব থেকে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে কোমলমতি শিশু এবং স্কুল, মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী, বয়স্ক লোক, গর্ভবতী মহিলা এবং অসুস্থ্য মানুষরা।

এমনি দুর্ভোগের চিত্র দেখা যায় রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর শাইলবাড়ী মাদ্রাসা সংলগ্ন ১২ গ্রামের সাধারণ মানুষের। কিন্তু একটি সেতুর অভাবে সেখানকার মানুষের কর্মচাঞ্চল্য যেন থমকে আছে। ১৫ হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা বাঁশ দিয়ে নির্মিত সাঁকো। তাই দুর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান।

তারাগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে দর্জিপাড়া গ্রাম। ওই গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে চিকলী নদী। ওই নদীর শাইলবাড়ী ঘাটে সেতু না থাকায় ১২ টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, ওই ঘাটের নদীর ওপর বাঁশের সাঁকোটি বেশ নড়বড়ে। চকতাহিরা গ্রামের কৃষক কাশেম আলী বলেন, ভাই, সোবায় কয় হামাক ভোট দেও হামরা পুল বানে দিমো। কিন্তুক পুল পাই নাই। আসুক এবার ভোট চাইতে, থলে ভরেই ভোট দিমো।
ভীমপুর গ্রামের বাসিন্দা খয়রাত আলি আক্ষেপ করে বলেন, হামার কষ্ট বাবা কায়ো দেখে না। বড় বড় কথা কয়া হামার ভোট নেয়, ভোট শেষ হইলে এলাকাত কায়ো আইসে না। সোবায় পুল বানে দিবার চেয়া ফাঁকি দেয়।
শাইলবাড়ী মাদ্রাসার মুফতি মকবুল হাসান বলেন, সেতুর অভাবে ১২ টি গ্রামের কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এটি নির্মাণ করা হলে এ অঞ্চলের সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার হবে এবং ব্যবসা বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।
আলমপুর ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। কিন্তু আজও সেতু নির্মাণের জন্য কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী আহমেদ হায়দার জামান জানান, ওই স্থানে খুব দ্রুত খোঁজ নিয়ে সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগকপত্র ঢাকায় স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হবে।
সংসদ সদস্য আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক বলেন, আগামী অর্থ বছরে বরাদ্দ পেলে ওই নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ করতে সক্ষম হব।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
 

দৈনিক দাবানল © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

themesba-lates1749691102