মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আজকের পত্রিকা -০৪-০৬-২০২২ সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের টার্গেট এখন ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটি, উদ্দেশ্য পদ পদবী বাগিয়ে নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা  সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জে নিরাপত্তা কর্মীর উপর যুবলীগ নেতার ক্ষমতার অপব্যবহার সৈয়দপুরের কল্যান ট্রাষ্টের নামে লন্ডাবাজার অবৈধ রেল মার্কেটের কোটি কোটি টাকা লুটপাঠ সৈয়দপুর রেল কারখানার জায়গায় অবৈধভাবে স্থাপিত সরকারী শিশু কল্যাণ ট্রাষ্ট স্কুল দুর্নীতিবাজ রেল কর্মকর্তার যোগসাজসে ভূমিদস্যুরা হাতিয়ে নিয়েছে রেলের কোটি টাকার সম্পদ সৈয়দপুর পৌর আ’লীগের ইফতার মাহফিলে দাওয়াত পাননি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুরে আসামীদের সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেন মোকছেদুল মোমিন সৈয়দপুর পৌরসভা কর্তৃক সরকারী সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে রেল কর্তৃপক্ষের মামলা সৈয়দপুর বিমানবন্দর রোডে ৫৪৪নং রেল কোয়ার্টার ভেঙ্গে কোটি টাকার মার্কেট নির্মাণ, নির্বিকার রেল প্রশাসন

বদরগঞ্জ সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ’র বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন

দাবানল প্রতিবেদক, বদরগঞ্জ (রংপুর)॥
  • সময় রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০
  • ৭৭০ বার পঠিত

রংপুরের বদরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাজেদ আলী খানের বিরুদ্ধে ৪৬ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৯ টাকা আত্মসাৎসহ প্রভাষকের সনদপত্র জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল রোববার (১৫নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা ১৫মিনিট পর্যন্ত একটানা ছয় ঘন্টারও অধিক সময় ধরে তদন্ত কার্যক্রম চালান দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। তদন্ত শেষে তদন্ত দলের প্রধান ও সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের অধ্যক্ষ চিন্ময় বাড়ৈ কোন কথা বলতে রাজি হননি। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর(মাউশি) রংপুরের উপপরিচালক উমর ফারুক বলেন, তদন্তাধীন বিষয়ে এখনই মন্তব্য করা ঠিক নয়। তারপরও অফিসে আসেন এবিষয়ে কথা বলা যাবে।
উল্লেখ্য- বদরগঞ্জ সরকারি কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চারজন কলেজ শিক্ষককে অভ্যন্তরিণ অডিট সম্পন্ন করতে দায়িত্ব দেয়া হয়। এরা হলেন- ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুনীল চন্দ্র সরকার, প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক মেনহাজুল ইসলাম এবং উদ্ভিদ বিভাগের প্রভাষক দেবাশীষ চক্রবর্তী। অডিট কমিটির সদস্যরা ২০১০ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ১০ বছরের অডিট সম্পন্ন করেন। মোট আয়-ব্যয়ের নয়টি খাত চিহ্নিত করে অডিট সম্পন্ন করেন সদস্যরা। আর এতেই অধ্যক্ষের ৪৬ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৯ টাকার ঘাপলা ধরা পড়ে অডিট কমিটির কাছে। তবে ২০১২ সালে গঠিত বাংলা অনার্স এবং হিসাব বিজ্ঞান অনার্স শাখার অডিট সম্পন্ন হয়নি। কারণ হিসেবে অডিট কমিটির সদস্যরা উল্লেখ করেছেন- বাংলা
বিভাগের প্রধান মকবুল হোসেন খান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান মোস্তফা কামালের অসহযোগিতা এবং অনীহার কারণে ওই অডিট সম্পন্ন হয়নি। শুধুমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক ও পাস কোর্সভুক্ত তহবিলের হিসাব-নিকাশ এতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অডিট কমিটির সদস্যরা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন- বাংলা ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের দু’ প্রধান ও অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের বেতন এবং অন্যান্য ফি কলেজের অফিস সহকারী বা ক্যাশিয়ারকে বাদ দিয়ে নিজেরা রশিদমূলে বা রশিদবিহীন আদায় করেছেন। এর বাইরে বাংলা বিভাগের প্রভাষক শামীম আল মামুনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদপত্র অধ্যক্ষ কর্তৃক জালিয়াতির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা হয়েছে। প্রভাষক শামীম আল মামুনের বিরুদ্ধেও বদরগঞ্জ থানায় পাল্টা মামলা করেছেন অধ্যক্ষ মাজেদ আলী খান। এর পাশাপাশি প্রভাষক নিরঞ্জন রায়ের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগে মামলা করেন অধ্যক্ষ। এসব বিবেচনায় নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ সাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর(মাউশি) তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠণ করে। কমিটির সদস্যরা হলেন- সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের অধ্যক্ষ চিন্ময় বাড়ৈ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের উপপরিচালক উমর ফারুক এবং সহকারী পরিচালক আনোয়ার পারভেজ। ১৮ অক্টোবর তদন্ত কমিটির সদস্যরা এক দফা তদন্ত করেন। এরপর ১৫ নভেম্বর দ্বিতীয় দফা তদন্ত সম্পন্ন হলো। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বরাবরের ন্যায় অধ্যক্ষ মাজেদ আলী খান নিজেকে নির্দোষ দাবী করে বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভ্যন্তরিণ অডিট কমিটি কাজ শুরু করলেও অনৈতিকভাবে ১০ বছরের জের টেনেছে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
 

দৈনিক দাবানল © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

themesba-lates1749691102